রাফিউল ইসলামের বয়স ২৬। বগুড়ায় একটি ছোট মোবাইল রিপেয়ারের দোকান চালান। ২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে bajilave-এ প্রথম নিবন্ধন করেন। শুরুটা হয়েছিল ফিশিং গেম দিয়ে—কারণ এটা বোঝা তুলনামূলক সহজ এবং সরাসরি স্পোর্টস বেটিংয়ের চেয়ে একটু আলাদা।
প্রথম মাসে তিনি মূলত প্ল্যাটফর্ম বুঝতে সময় দিয়েছেন। অল্প টাকায় খেলেছেন, জয়-পরাজয় দুটোই হয়েছে। দ্বিতীয় মাসে তিনি একটা নোটবুকে প্রতিটি সেশনের তথ্য লিখতে শুরু করলেন—কতক্ষণ খেললেন, কোন সময়ে ভালো করলেন, কোন সময়ে হারলেন।
"নোটবুক রাখাটা সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ছিল আমার জন্য। তৃতীয় সপ্তাহে দেখলাম সন্ধ্যার পর আমার মনোযোগ কমে যায়, তখন বেশি ভুল হয়। তারপর থেকে সন্ধ্যায় খেলা বন্ধ করে দিলাম।"
তৃতীয় মাসে তার ব্যাংকরোল প্রথম মাসের তুলনায় ১৫% বেড়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন—এটা কোনো বড় জয় নয়, বরং ছোট ছোট ভুল কমানোর ফল। bajilave তাকে সুযোগ দিয়েছে নিজের গতিতে শেখার।